Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

রাষ্ট্র পরিচালনায় অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা,সচিবালয় আগুন,পরবর্তী কি ঘটবে?

রাষ্ট্র পরিচালনায় অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা, সচিবালয় আগুন,পরবর্তী কি ঘটবে?



 আমরা বাংলাদেশী‌রা কখন সচেতন হই জানেন?

কিছু পুড়ে যাওয়ার পরে, কয়েক ডজন হ*ত্যা হওয়ার পরে । এর আগে পর্যন্ত যদি বুঝতেও পারি‌ যে কিছু অঘটন ঘটবে তারপরও আমরা সতর্ক থাকি না। 


অন্তর্বর্তী সরকার কি জানে তারা কেমন পরিস্থিতিতে দেশের দায়িত্বে নিয়েছে? তাদের আগে কেমন সরকার ছিল? তারা কেমন পারদর্শী ছিল? তারা কোন কোন কাজে দক্ষ? তারা সু্যোগ পেলেই হিংস্র হয়ে উঠতে ১ সেকেন্ড সময় নিবে না কারণ ভারত তাদের ওভাবে ট্রেইন আপ করছে এদের মাধ্যমে তাদের স্বার্থ হাসিল করতে।


অন্তর্বর্তীকালিন সরকার দায়িত্ব নিয়ে মাস খানেক সেনা টহল ছিল এখন নেই। এত তাড়াতাড়ি বাংলাদেশ সুইজারল্যান্ড হয়ে গেছে মনে করে বসে আছে তারা। 

এখানে ২৪/৭ সেনাবাহিনী অ*স্ত্র থাক করা টহলে রাখতে হবে জনগনের জীবন মান নিরাপত্তা রাখার জন্য। আমরা কয়েকদিন আগে ফটিকছড়িতে এক ইসলামীক শিল্পি গু*ম হয়ে ফিরে আসার খবর শুনেছি, একজন সমন্বয়কও গু*ম হওয়ার খবর শুনেছি (সত্য, মিথ্যা যাই হোক) , সচিবালয় আগুন। এসব ইঙ্গিত এর পরেও কি সেনাবাহিনীর এ্যাকশন টহল জরুরী নয়? তাহলে সেনাবাহিনী এগুলো কি জন্য? সেনাবাহিনী যদি সবসময় ধোঁয়ার উপর রাখে দুষ্টু জনগণকে আর এসব করার সাহস পায়? 

ভিডিও দেখুন  

সচিবালয় পুড়ে দিয়েছে এটা রাষ্ট্র পরিচালনায় অন্তর্বর্তী সরকারের একটা অদক্ষতার বা ব্যর্থতার পরিচয় সেটা স্বীকার করতে হবে। সবসময় মনে রাখতে হবে তাদের আগের সরকার ও তাদের দলের লোক গুলো কেমন স্বভাবের ছিল ? তারা যে কোন সময় ভারতের সহায়তায় দেশে অঘটন ঘটাতে চেষ্টা করবেই। 

এখন যা আলামত পাওয়া যাচ্ছে পরবর্তী স্টেপ হচ্ছে গু*প্ত     হ*ত্যা । দেশের দেশ প্রেমিক নাগরিক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক,সোস্যাল মিডিয়া এক্টিভিস্ট এরাই টার্গেট। কারণ ভারতীয় ইন্টেলিজেন্সি বুঝতে পারছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে তারাই লেখা, ভিডিও ও বক্তব্যের মাধ্যমে সহায়তা করছে। এখন এরকম দেশ প্রেমিক রাজনৈতিক, সাংবাদিক, লেখক,সোস্যাল মিডিয়া এক্টিভিস্ট কয়েকজন যদি সিস্টেম করে দেওয়া যায় তাহলে তারা স্বার্থক। 

ভারতীয় ইন্টেলিজেন্সির সিস্টেম হচ্ছে প্রথমে কথায়,     পরে  ‌ব্রেইন, তারপর বাণিজ্য, তারপর সরাসরি ভয় দেখিয়ে, তারপরও না পারলে গু*প্ত হত্যার স্টেপ নিবে । দি ইজ দ্যা সিস্টেম অফ ভারত। 

 বিগত সরকারের যারা কোন রকম জান নিয়ে পালিয়ে গেছে ইউরোপে তাদের সতেজ ও হিংস্রী করে তোলার জন্য ভারত রাতদিন ভার্সুয়াল ট্রেইন আপ করে যাচ্ছে। এই দেশের অভ্যন্তরে অঘটন ঘটাতে তো এই দেশের মানুষই দরকার তাই ভারতের এখন লাস্ট হাতিয়ার হচ্ছে ইউরোপে যারা আছে তাদের মাধ্যমে দেশে যারা আছে তাদের দিয়ে  অঘটন ঘটানো । কারণ দেশে তো দক্ষ গুলো নেই। দক্ষরা তো ইউরোপ চলে গেছে । দক্ষরাই গাইড়লাইন দিয়ে দেশে থাকা অদক্ষদের দক্ষ বানিয়ে কাজ চালাবে। 

ভিডিও দেখুন  

গতকাল নিউজ ফিডে দেখলাম ভারতের উচ্চ পর্যায়ের কোন এক ব্যাক্তি

" বললেন ঢাকার সাথে দিল্লি আর যামেলায় জড়াবে না" 

এই কথাটা এ্যানালাইসিস করলেও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ভারত যখনই বলবে তারা ভাল সম্পর্ক চায় সেখানে ঘাবলা আছে। তারা অন্য দিকে খারাপ কিছু করবে তাই ভাল ও বন্ধু হওয়ার নীতি বাক্য শুনায়। ভারতের প্রত্যেক বাক্যকে পজেটিভ নিতে পারবেন না,তারা কথা বলবে পজেটিভেরমত কিন্তু অন্তরালে থাকে বিশাল কিছু। 

এই দেশকে ও এ জনগণকে নিরাপদ রাখতে ভারতীয় ইন্টেলিজেন্সি থিউরি রপ্ত করার উন্নত ও সমৃদ্ধ ইন্টেলিজেন্সি তৈরি করতে হবে।   



Post a Comment

0 Comments