Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

ভারত এত ‌কুত্তা পাগল হয়ে গেল যে করনে জানুন।

ভারত এত ‌কুত্তা পাগল হয়ে গেল যে করনে জানুন।


  দুনিয়া জুড়ে চলছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা। অক্ষ শক্তির (জাপান-জার্মানি-ইতালি) ভয়ে ইঙ্গ-মার্কিণ মিত্র শক্তি ভীত-সন্ত্রস্ত। জাপানী বোমারু বিমান বঙ্গদেশের কোলকাতা ও আসামের বিভিন্ন স্থানে বোমা হামলা চালায় ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে। অক্ষ শক্তির সামরিক অভিযান থেকে ভারতের পূর্বাঞ্চল রক্ষার্থে মিত্র শক্তির প্রধান সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য লালমনিরহাট ‘চিনির পাথার’ এলাকাকে নির্বাচন করা হয়। যা লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ও হারাটি ইউনিয়ন ভুক্ত। ১১৬৬.৬৮ একর জমি হুকুম দখল করে এখানে ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দের দিকে বৃটিশ সরকার কর্তৃক বিমান ঘাঁটি নির্মাণের জন্য সূচনাকৃত কার্যক্রম নবকিরণ লাভ করে ও দ্রুত বিমান ঘাঁটি নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে যায়। বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন অবিভক্ত ভারতের পূর্বাঞ্চল বিশেষ করে আসামকে রক্ষার জন্য লালমনিরহাট বিমান ঘাঁটি ছিল মিত্র বাহিনীর একমাত্র ভরসা স্থল। ১৪ আগস্ট ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর মিত্র বাহিনীর সৈন্যরা দেশে ফিরতে শুরু করেন। এ ঘাঁটিতে ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দে সার্ভিস চালু হয়। লালমনিরহাট-ঢাকা ভাড়া ছিল ৪৫ টাকা। সে সময় লালমনিরহাট-ঢাকা রেলওয়ে প্রথম শ্রেণীর ভাড়া ছিল ২২ টাকা। ভাড়া দ্বিগুনেরও বেশী হওয়ায় এক সময় বিমান সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয় বোমা হামলার পর পাকিস্তান সরকার বিমান ঘাঁটির স্থাপনা সমূহ নিলামে বিক্রি করে দেয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে লালমনিরহাটের বিমান ঘাঁটিকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হেড কোয়ার্টার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, কিন্তু তা আর বাস্তবায়িত হয়নি। পরে ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে বিমান বাহিনী কর্তৃপক্ষ এখানে কৃষি প্রকল্প গ্রহণ করে, যার কার্যক্রম এখনও চলছে। 

 

এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এবং এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমান ঘাঁটি। এ বিমান ঘাঁটি কে নর্থ ইস্ট এর প্রবেশ ধার বলা হয়। এ বিমান ঘাঁটি ব্যবহার করে ভারতে চিকেন নেক আলাদা করা একদম সহজ। তত্কালীন পাকিস্তান বিমান বাহিনী ভারতের বিরুদ্ধে লালমনিরহাট বিমান ঘাঁটি ব্যবহার করত। এ বিমান ঘাঁটি টা ভারতের গলার কাঁটা এ বিষয়ে ভারতীয় বিমান বাহিনী অবগত। চীনা‌ কোম্পানি এ বিমান ঘাঁটি মেরামতে আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে অনেক চেষ্টা করেছে কোন এক অজানা কারণে পারে নি। ভারতের অনুমতি ছাড়া একটা বাঁধ ও নির্মাণ করতে পারে নি আওয়ামীলীগ সরকার সেখানে বিমান ঘাঁটি তো কল্পনা। 

ড . মোহাম্মদ ইউনুস স্যার চীনা কোম্পানির সহায়তায় এ বিমান ঘাঁটি আবার স্বচল করার প্রতি অগ্রসর হচ্ছে। ভারতীয় ইন্টেলিজেন্সি এর ইঙ্গিত বুঝতে পেরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা কে ইস্যু বানানোর জন্য কুত্তা পাগল হয়ে আছে।



Post a Comment

0 Comments